মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

জন্ম নিবন্ধন রেজিস্টার বই

জন্ম নিবন্ধন রেজিষ্টার

জন্ম নিবন্ধন রেজিষ্টার, চাকমারকুল, ইউনিয়ন

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রকল্প

 

 

এক নজরে চাকমারকুলইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন রেজিষ্ট্রাট-

 

বর্তমানে অত্র পরিষদে ১২ টি জন্ম নিবন্ধন রেজিস্ট্রার রয়েছেএর মধ্যে জুন ২০১২ ইং তারিখে জন্ম নিবন্ধনের সংখ্যা ১৭,৬১৭জনঅনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের শতভাগ

 

চালু পর থেকেই হাতে লিখাজন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হততাই উক্ত সনদের সঠিকতা যাচাই করা সম্ভব হতনাবর্তমানে সরকার এই সমস্যা দূর এবং আরো বেশী কার্যাকর করার নিমিত্তে২০১১ইং হতে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন চালু হয় এবং হাতে লিখা বাদ দিয়ে অনলাইনেরমাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন করা এবং জন্ম সনদ প্রদান করা হচ্ছেনিম্নের ঠিকানায়জন্ম সনদ যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সম্বলিত

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সাইডঃhttp://br.lgd.gov.bd

 

পঠভূমিঃ

১৮৭৩ সালের ২রা জুলাই তদানীন্তন বৃটিশ সরকার অবিভক্ত বাংলায় জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত আইন জারী করে। কালের পরিক্রমায় ১১৮ বৎসরে ভৌগোলিক, রাজনৈতিক ও সেই সঙ্গে আইনের নানান পরিবর্তন সত্ত্বেও দেশের তাবৎ মানুষ জন্মনিবন্ধনের আওতায় না আসায় ২০০১-২০০৬ সালে ইউনিসেফ-বাংলাদেশ এর সহায়তায়পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ২৮টি জেলায় ও ৪টি সিটি কর্পোরেশনে জন্মনিবন্ধনের কাজ নতুনভাবে আরম্ভ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮৭৩ সালের আইন রদ ওরহিত করে সরকার ২০০৪ সনের ৭ ডিসেম্বর ২৯ নং আইন অর্থাৎ জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আইন, ২০০৪ প্রবর্তন করে। আইনটি ২০০৬ সালের ৩ জুলাই হতে কার্যকর হয়।২০০১-২০০৬ সালের পাইলট প্রকল্পের শেষে প্রকল্পটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনপ্রকল্প (২য় পর্যায়) নামে ২০০৭ সালে আরম্ভ হয়ে জুন ২০১২ সালে শেষ হয়।বর্তমানে প্রকল্পটির ৩য় পর্যায়ের কার্যক্রম জুলাই ২০১২ থেকে শুরু হয়ে ২০১৪সালের জুন মাস পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পটির আর্থিক সহায়তাকারী সংস্থাইউনিসেফ-বাংলাদেশ। প্রকল্পটির বিপরীতে মোট বরাদ্দ ১৮০০.০০ লক্ষ টাকা; তন্মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অংশ ১১০০.০০ লক্ষ টাকা (জন্ম নিবন্ধককার্যালয়সমূহের আদায়কৃত জন্ম নিবন্ধন ফিস হতে ১০০০ লক্ষ টাকা ম্যানুয়াল বইহতে অনলাইনে এন্ট্রির ব্যয় নির্বাহসহ) ও প্রকল্প সাহায্য ৭০০.০০ লক্ষ টাকা।সারাদেশে ১৫কোটির অধিক লোকের জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াজেলা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ব্যতিত দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ও ৩৬টি দূতাবাসে বর্তমানে অনলাইন জন্মনিবন্ধনের কাজ চলছে।Real Time BR Data লিঙ্ক-এ যেয়ে দেশের তাৎক্ষণিক অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের সংখ্যা দেখা যাবে।

 

জন্ম নিবন্ধন কি

জন্ম নিবন্ধন হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনআইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নং আইন) এর আওতায় একজন মানুষের নাম, লিঙ্গ, জন্মেরতারিখ ও স্থান, বাবা-মায়ের নাম, তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানানির্ধারিত নিবন্ধক কর্তৃক রেজিস্টারে লেখা বা কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদানএবং জন্ম সনদ প্রদান করা।

 

জন্ম নিবন্ধন কি কাজে লাগে

ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাঁর পরিচিতি ও বয়সনির্ধারণের জন্য এবং রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য জন্মনিবন্ধন জরুরী। ব্যক্তির চিকিৎসা সেবা গ্রহণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, বিবাহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রকৃত বয়স জানা অপরিহার্য, আর এই অপরিহার্যতামিটাতেই প্রয়োজন জন্মের সঙ্গে সঙ্গে জন্ম নিবন্ধন সম্পন্নকরণ।

৩১ ডিসেম্বর ২০০৮ এর পর থেকে নিম্নোক্ত সেবাসমূহ পেতে হলে একজন নাগরিককে তাঁর জন্ম সনদ দেখানোর আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে:
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইনমূলে:
(ক) পাসপোট ইস্যু;
(খ) বিবাহ নিবন্ধন;
(গ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্ত্তি;
(ঘ) সরকারী, বেসরকারী বা স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় নিয়োগদান;
(ঙ) ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু;
(চ) ভোটার তালিকা প্রণয়ন;
(ছ) জমি রেজিস্ট্রেশন;
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালাসমূহমূলে:
(জ) ব্যাংক হিসাব খোলা;
(ঝ) আমদানী ও রপ্তানী লাইসেন্স প্রাপ্তি;
(ঞ) গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি;
(ট) ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) প্রাপ্তি;
(ঠ) ঠিকাদারী লাইসেন্স প্রাপ্তি;
(ড) বাড়ির নক্সার অনুমোদন প্রাপ্তি;
(ঢ) গাড়ির রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্তি;
(ণ) ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও
(ত) জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তি।

 

জন্ম তথ্য প্রদানকারী

শিশুর পিতা বা মাতা বা অভিভাবক শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম সংক্রান্ত তথ্য নিবন্ধকের নিকট প্রদানের জন্য দায়ী থাকবেন।

এছাড়া নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ কোন ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধকের নিকট তথ্য প্রেরণ করতে পারবেন:

  • ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, এবং সচিব;
  • গ্রাম পুলিশ;
  • সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার কাউন্সিলর;
  • ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী ও পরিবার কল্যাণকর্মী;
  • স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেক্টরে নিয়োজিত বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) মাঠকর্মী;
  • কোন সরকারী বা বেসরকারী হাসপাতাল বা ক্লিনিক বা মাতৃসদন বা অন্য কোনপ্রতিষ্ঠানে জন্মগ্রহণের ক্ষেত্রে উহার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিক্যাল অফিসারঅথবা ডাক্তার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা;
  • নিবন্ধক কর্তৃক নিয়োজিত অন্য কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী;
  • জেলখানায় জন্মের ক্ষেত্রে জেল সুপার বা জেলার বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি;
  • পরিত্যক্ত শিশুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা;

নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।

 

আবেদন প্রক্রিয়া

জন্ম নিবন্ধনের নির্ধারিতআবেদন ফরমে(ছাপানো বা হাতে লিখা হলেও চলবে) নিবন্ধকের নিকট নিম্নে বর্ণিত দলিল বা প্রত্যয়নসহ আবেদন করতে হবে।

নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির জন্মের পাঁচ বৎসরের মধ্যে আবেদন করা হলে-

  • তথ্য সংগ্রহকারীর প্রত্যয়ন, অথবা
  • ইপিআই কার্ডের সত্যায়িত অনুলিপি, অথবা
  • সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বা উক্ত প্রতিষ্ঠান হইতে প্রাপ্ত জন্ম সংক্রান্ত সনদের সত্যায়িত অনুলিপি, অথবা
  • নিবন্ধক যেরূপ প্রয়োজন মনে করেন জন্ম সংক্রান্ত সেরূপ অন্য কোন দলিলের সত্যায়িত অনুলিপি, অথবা
  • তথ্য সংগ্রহকারী হিসাবে নিবন্ধক কর্তৃক নির্দিষ্টকৃত কোন এনজিও কর্মীর প্রত্যয়ন।

নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির জন্মের পাঁচ বৎসর পরে আবেদন করা হলে-

  • বয়স প্রমাণের জন্য এমবিবিএস ডাক্তারেরএবং জন্মস্থান বা স্থায়ীভাবে বসবাসের স্থান প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডকাউন্সিলর/সদস্যের প্রত্যয়ন, অথবা
  • বয়স ও জন্মস্থান প্রমাণের জন্য তথ্যসংগ্রহকারী হিসাবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষকবা তৎকর্তৃক মনোনীত শিক্ষক বা কর্মকর্তার প্রত্যয়ন, অথবা
  • বয়স ও জন্মস্থান প্রমাণের জন্য ইপিআইকার্ড বা পাসপোর্ট বা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা কোন চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের জন্ম সংক্রান্ত ছাড়পত্র বা উক্ত প্রতিষ্ঠান হইতে প্রাপ্ত জন্মসংক্রান্ত সনদের সত্যায়িত অনুলিপি, অথবা
  • নিবন্ধক যেরূপ প্রয়োজন মনে করেন জন্ম সংক্রান্ত সেরূপ অন্য কোন দলিলের সত্যায়িত অনুলিপি, অথবা
  • তথ্য সংগ্রহকারী হিসাবে নিবন্ধক কর্তৃক নির্দিষ্টকৃত কোন এনজিও কর্মীর প্রত্যয়ন।

তথ্য সংগ্রহ, প্রস্তুতকারী এবং ওয়েব বিন্যাসঃ  তৈয়বা বেগম ওতৌহিদুল হাকিম (জুয়েল), পরিচালক,চাকমারকুলইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র (ইউআইএসসি),রামু, কক্সবাজার।যোগাযোগঃ +8801818-002810, ধন্যবাদ।

ছবি